সাইয়েদ আব্দুল্লাহ ছাগল-কাণ্ডের জন্য ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছেন।
সাইয়েদ আবদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছেন এমন প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। তাঁকে বলা হয়েছে যে, তাঁর অ্যাকাউন্ট স্থগিতের কারণ ফেসবুকের নীতিমালা বা কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের লঙ্ঘন।
পরের অংশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগে ১২ লাখ টাকার ছাগলের বায়না করা তরুণ মুশফিকুর রহমান ইফাতের সম্পর্কের তথ্য এবং তাঁর পরিচয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে একাধিক পোস্ট দেয়া হয়েছিল।
পরে মো. মতিউর রহমানের অভিযোগের বিপ্রেষণে বলা হয়েছে যে, মুশফিকুর তাঁর ছেলে নন। তবে সাইয়েদ আবদুল্লাহের অনুসন্ধানে বের হয়েছে মুশফিকুর এনবিআরের কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান।
এছাড়াও, সাইয়েদ আবদুল্লাহের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার পিছনে ফেসবুকের বিভিন্ন নীতিমালা বা কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এই কারণে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দিয়েছেন।
সাইয়েদ আবদুল্লাহ বলেছেন, অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার কোনো নির্দিষ্ট কারণ তাকে দেওয়া হয়নি ফেসবুক দ্বারা। তবে তাঁর মনে যাচ্ছে এটি ফেসবুকের নীতিমালার সাথে মেলে না এবং এ কারণেই অ্যাকাউন্ট স্থগিত হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে বর্ণিত হয়েছে, সাইয়েদ আবদুল্লাহ এবং মুশফিকুর রহমান ইফাতের ঘটনা এবং সম্পর্কিত ঘটনার বৈশিষ্ট্যগুলি নিয়ে ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও, তাঁর মন্তব্য অনুসারে, ফেসবুক তাঁকে স্থগিত করার জন্য কোনো মন্তব্য দেননি তাঁকে।
সম্প্রতি কয়েক মাসে, বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক প্রথম আলোকে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর নিজস্ব ব্যবসায়িক নীতিমালা ও সম্পাদকীয় নীতি রয়েছে।
Post a Comment